পূর্ববর্তী লেখা    পরবর্তী লেখা
পুরো লিস্ট দেখুন

মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়

মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় ১৯৫৭ সালের ১৪ জুন তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের শিক্ষা উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুযায়ী পাকিস্তান কেন্দ্রীয় সরকারের প্রধানমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এই বিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। বিদ্যালয়টি, বাংলাদেশের স্বাধীনতার পূর্বে সেন্ট্রাল গভর্নমেন্ট বয়েজ হাইস্কুল, মতিঝিল, যা পরবর্তিতে সেন্ট্রাল গভর্নমেন্ট স্কুল হিসেবে সমধিক পরিচিতি পায়। স্বাধীন বাংলাদেশে বিদ্যালয়টি বর্তমান নামে শিক্ষা মণ্ত্রনালয়ের অন্তর্ভুক্ত হয়। ১৯৯৫ সালে এই বিদ্যালয় শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পুরস্কৃত হয় এবং ঐ বছরই শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হবার গৌরব অর্জন করেন তৎকালীন প্রধান শিক্ষক রশিদ উদ্দিন জাহিদ। বিদ্যালয়টি ঢাকার রাজারবাগ পুলিশ লাইনস সন্নিকটবর্তি আউটার সার্কুলার রোড সংলগ্ন দক্ষিণ শাহজাহানপুর মোড়ে অবস্থিত। স্কুলটির অধীনে প্রথম শ্রেণী থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ানো হলেও মূলত মূল ব্যবস্থাপনায় ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত পরিচালিত হয় বলে স্কুলটি মাধ্যমিক স্কুল হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ। বিদ্যালয় প্রভাতি এবং দিবা -এই দুই শাখায় পরিচালিত হয়। সরকারি ভর্তি কার্যক্রমে স্কুলটি "খ" গ্রুপে শ্রেণীবদ্ধ।

 

ঠাকানা ও যোগাযোগঃ

আউটার সার্কুলার রোড, মতিঝিল,

ঢাকা-১০০০।

ই-মেইল- [email protected]

 

স্কুলের বিবরণঃ

বিদ্যালয়ের প্রাথমিক শাখা (প্রথম শ্রেণী থেকে পঞ্চম শ্রেণী) পরিচালিত হয় বিদ্যালয় নিকটবর্তি একটি আলাদা ভবনে, যা মতিঝিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নামে পরিচালিত হয়। মূল ভবনে ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে দশম শ্রেণীর অধ্যয়ন পরিচালিত হয়। সাধারণত প্রতি শ্রেণীতে ক (A), খ (B), গ (C), ঘ (D) —এই চারটি শাখা রয়েছে, যার প্রথমোক্ত দুটি শ্রেণীর ক্লাস প্রভাতি শাখার অধীনে, এবং দ্বিতীয়োক্ত দুটি শ্রেণীর ক্লাস দিবা শাখার অধীনে পরিচালিত হয়। নবম-দশম শ্রেণীতে ক, খ, গ শাখাত্রয় বিজ্ঞান শিক্ষার জন্য বরাদ্দ করা হয়, এবং ঘ শাখাটি এককভাবে ব্যবসায় শিক্ষার জন্য বরাদ্দ থাকে। বিদ্যালয়ের মাধ্যমিক শিক্ষায় মানবিক শিক্ষার ব্যবস্থা নেই (প্রেক্ষিত ২০০১)।

বিদ্যালয়টিতে দিবা শাখা ও প্রভাতি শাখা পরিচালনার জন্য প্রধান শিক্ষক একজন হলেও আলাদা সহকারী শিক্ষক রয়েছেন এবং আলাদা শিক্ষকমণ্ডলীও রয়েছেন। এমনকি দুই শাখার জন্য আলাদা তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী ও স্টাফ রয়েছেন।

বিদ্যালয়টি তার প্রারম্ভলগ্নে কো-এডুকেশন, অর্থাৎ ছেলে-মেয়ের একত্র পঠনধারায় চললেও পরবর্তিতে ছেলেদের জন্য আলাদা করে বালক ও বালিকা পৃথক গন্ডি তৈরি করা হয়। যদিও এখনও বিদ্যালয়ের একটি ভবনের অর্ধেক বালিকা শাখা, এবং বাকি অংশ বালক শাখা ব্যবহার করে থাকে। তবে বিদ্যালয়ের মূল ভবনটি বালক শাখার জন্য ব্যবহৃত হয়। এর পাশাপাশি বাড়তি ক্লাসরুমের প্রয়োজনে বিদ্যালয়ের ভিতরের মাঠে তৈরি করা হয়েছে আরো একটি শ্রেণীভবন। বিদ্যালয়ের প্রবেশমুখেই স্বাগত জানায় একটি ত্রিধারা স্মৃতিস্তম্ভ। প্রবেশ পথের বাম দিকে প্রধান শিক্ষকের বাসভবন অবস্থিত। স্কুলের মূল ভবনের নিচতলায় রয়েছে একটি বিশালাকায় উপ-দ্বিতল অডিটরিয়াম। বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই দ্বিতীয় তলায় রয়েছে একটি পাঠাগার, যাতে রয়েছে প্রায় ১৫০০০ বই। এছাড়া ব্যবহারিক শিক্ষার প্রয়োজনে বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান শিক্ষা সহায়ক ল্যাবরেটরি রয়েছে, রয়েছে কম্পিউটারেরও একটি আলাদা ল্যাবরেটরি।

প্রতিদিন ক্লাস শুরুর আগে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে সকল শ্রেণীর ছাত্রদের এবং শিক্ষকদের উপস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়, সেখানে কোরআন তেলাওয়াত, বিদ্যালয়ের শপথ পাঠ এবং জাতীয় সংগীত সমস্বরে গাওয়াসহ শারীরিক কসরত অনুষ্ঠিত হয়। এই সমাবেশকে আকর্ষণীয় ও গঠনমূলক করতে বিএনসিসি ক্যাডেটরা ড্রাম দিয়ে তাল সৃষ্টি করেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

বিদ্যালয়ের ছাত্রদের জন্য পোষাকের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। প্রথম-তৃতীয় শ্রেণী পর্যন্ত সাদা হাফ হাতা শার্ট-সাদা হাফ প্যান্ট বরাদ্দ। চতুর্থ শ্রেণী থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত সাদা শার্ট ও ফুল প্যান্ট বরাদ্দ। এছাড়া পোষাক হিসেবে সাদা কেড্‌স বা জুতা পরতে হয়। কোমরে কালো বেল্ট পরার অনুমতি রয়েছে। এছাড়া বিদ্যালয় থেকে বুকে ধারণ করার জন্য প্লাস্টিকের ব্যাজ কিংবা কাপড়ের ব্যাজ দেয়া হয়।শীত-গ্রীষ্মে ফুলহাতা শার্ট পরার অনুমতি থাকে এবং শীতকালে কালো হাফহাতা সোয়েটার পরার অনুমতি থাকে। অতিরিক্ত শীতে বিদ্যালয়-নির্ধারিত পোষাকের উপর ভারি পোষাক পরারও অনুমতি থাকে।

 

স্কুলের ইতিহাসঃ

শুরু থেকেই বিদ্যালয়টিতে দিবা শাখা ও প্রভাতি শাখা প্রচলিত ছিল। তখন পূর্ব পাকিস্তানের অধীন ছিল বলে প্রভাতি শাখা ছিল উর্দু মিডিয়াম, আর দিবা শাখা ছিল বাংলা মিডিয়ামে পড়ালেখার জন্য, এবং শাখাদ্বয়ের নামও ছিল যথাক্রমে ‘উর্দু মিডিয়াম’ এবং ‘বেঙ্গলি মিডিয়াম’। পরে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর দুই শাখাতেই বাংলা মিডিয়ামে পড়ালেখা শুরু হয় এবং শাখাদ্বয়ের নাম যথাক্রমে 'প্রভাতি শাখা' ও 'দিবা শাখা' হয়।

 

বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে অবদানঃ

পূর্ব পাকিস্তান আমলে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়ের ছাত্ররা ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে সক্রিয় অবদান রাখেন। যুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণকারী স্কুলের তিনজন ছাত্রের ব্যাপারে স্কুল কর্তৃপক্ষ অবহিত আছে, তাঁরা হলেন:

১। মাজহারুল হক, মেট্রিকুলেশন পরীক্ষার্থী

২। খোকন, মেট্রিকুলেশন পরীক্ষার্থী

৩। আনোয়ার কামাল, মেট্রিকুলেশন পরীক্ষার্থী

 

সহ-শিক্ষা কার্যক্রমঃ

বিদ্যালয়ের প্রথাগত শিক্ষার পাশাপাশি পাঠক্রমে যোগ করা হয়েছে 'সিসিএ' (কো-কারিকুলার এক্টিভিটিস) ক্লাস, যেখানে শিক্ষার্থীরা পাঠক্রমের বাইরের বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হবার সুযোগ পান। এছাড়া শিক্ষার্থীদের মুক্তবুদ্ধির ও মুক্তচিন্তার চর্চার জন্য বিদ্যালয়ে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন আন্তঃসংগঠন। বিদ্যালয়ের আন্তঃসংগঠনের মধ্যে স্কাউট, রেড ক্রিসেন্ট এবং বিএনসিসি'র কার্যক্রম উল্লেখযোগ্য। এই তিন সংগঠন, বিশেষ করে বিএনসিসি কোরের সদস্যবৃন্দ প্রতি বছর বিজয় দিবসে কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণ করে থাকে। অত্র স্কুলে ১৯৮০ সাল থেকে বিএনসিসি কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। এই তিন বাহিনী বিদ্যালয়ের বিভিন্ন অন্তর্বর্তি শৃঙ্খলা রক্ষা ছাড়াও বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিশেষ পরিস্থিতি ও দুর্যোগ মোকাবিলায় স্বেচ্ছাসেবক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করে থাকে। এমনকি ১৯৯৭ সালে অত্র বিদ্যালয়ের একজন বিএনসিসি ক্যাডেট তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গার্ড অফ ওনার প্রদান করার গৌরব অর্জন করেন।

এছাড়া বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সময়ে বিচ্ছিন্নভাবে বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে ও ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশন আয়োজিত "জাতীয় স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা"য় রানার-আপ হবার গৌরব অর্জন করে। এই সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় ডিবেটিং ক্লাব। ষষ্ঠ স্টামফোর্ড ন্যাশনাল ডিবেট চ্যাম্পিয়নশিপ-২০১১-তে স্কুল পর্যায়ে বাংলা ফাইনাল বিতর্কে চ্যাম্পিয়ন হবার গৌরব অর্জন করে বিদ্যালয়টি, এছাড়া সেখানে শ্রেষ্ঠ তার্কিক হন নাফিস ফেরেদৌস সাকিব।

 

জনস্বার্থমূলক কার্যক্রমঃ

প্রাকৃতিক দূর্‍্যোগে অসহায় মানুষের পাশে থেকে সেবার ব্রত রয়েছে এ বিদ্যালয়ের। ১৯৮৮, ১৯৯৮, ২০০৪ সালের বন্যায় ঢাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হলে বিদ্যালয়ের স্থাপিত আশ্রয়কেন্দ্রে অসহায় মানুষদের সাহায্য করা হয়েছিল। ১৯৯১ সালে চট্রগ্রামে জলোচ্ছ্বাস,১৯৯৬ সালে টাঙ্গাইলের টর্নেডোতে আক্রান্ত এলাকার জন্য এবং ২০০৭ সালে সিডর আক্রান্ত দক্ষিনাঞ্চলের জনগনের সহায়তার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়।

 

স্কুলের ফলাফলঃ

বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমে প্রায় প্রতি বছরই সাফল্য পরিলক্ষিত হয়। যখন শিক্ষা কার্যক্রম প্রাক্তন বিভাগ পদ্ধতিতে পরিচালিত হতো, তখন ১৯৯০ ও ১৯৯২ সালে বিদ্যালয়ের ৩ জন ছাত্র মাধ্যমিক চূড়ান্ত পরীক্ষা এসএসসিতে মেধাতালিকায় স্থান করে নেন। ১৯৯৩ সনে ৩ জন; ১৯৯৪ সনে ৩ জন; ১৯৯৫ সনে ৬ জন; ১৯৯৮ সনে ২ জন এসএসসিতে মেধাতালিকায় স্থান করে নেন (প্রেক্ষিত ১৯৯৯)। এছাড়াও ১৯৯৭ সালে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পান একজন, ঐ বছর জুনিয়র বৃত্তি পান ৪ জন; ১৯৯৮ সালে জুনিয়র বৃত্তিতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পান ১ জন, সাধারণ বৃত্তি পান ১ জন। ২০১১ সালে ফলাফল বিবেচনায় ঢাকার সেরা স্কুলগুলোর মধ্যে বিদ্যালয়টি নবম অবস্থানে অবস্থান করে।

 

অনুষ্ঠানাদিঃ

বিদ্যালয়ে প্রতি বছর বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, মিলাদ মাহফিল, আযান প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও বিভিন্ন উৎসব ও জাতীয় দিবসে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয় বিশেষ অনুষ্ঠান ও প্রতিযোগিতা। মিলাদ মাহফিল এবং ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের জন্য থাকে বিভিন্ন পুরস্কার। এছাড়া বাইরে থেকে আসা বিভিন্ন চ্যারিটি প্রোগ্রাম, বই মেলা, রেড ক্রিসেন্টের রক্ত সংগ্রহ অভিযান, আন্তঃস্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতাও বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। এছাড়াও প্রতি বছর নবম-দশম শ্রেণীরা শিক্ষার্থীরা এসএসসিতে অংশগ্রহণকারী বিদায়ী ছাত্রদের বিদায় উপলক্ষে আয়োজন করে থাকে বিদায় সংবর্ধনা ও র‍্যাগ-ডে'র। এসকল বিদায়ী শিক্ষার্থীদের জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ থেকে বনভোজনের আয়োজনও করা হয়ে থাকে, তবে তাতে শিক্ষার্থীদের চাঁদাও অন্তর্ভুক্ত হয়।

 

পুরস্কার ও সম্মাননাঃ

১৯৯৫ থ্রিস্টাব্দে এই বিদ্যালয়টি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পুরস্কৃত হয়। ঐ বছরই শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হবার গৌরব অর্জন করেন তৎকালীন প্রধান শিক্ষক রশিদ উদ্দিন জাহিদ।[১]

 

প্রাক্তন কৃতি শিক্ষার্থীবৃন্দঃ

১। এহসানুল হক সিজান, বাংলাদেশ যুব ক্রিকেট দলের সদস্য, ইয়ুথ এশিয়া কাপ'৯৭

২। মির্জা আব্বাস, রাজনীতিবিদ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)

৩। ড. আব্দুল মঈন খান, রাজনীতিবিদ, প্রাক্তন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী (১৯৯৪)

 

অন্যান্যঃ

বিদ্যালয়ের দিবা শাখার ক্লাস সমাপ্ত হয়ে গেলে সন্ধ্যায় বিদ্যালয়টি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বাংলাদেশ ল' কলেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া বিদ্যালয়ে প্রতি বছর একবার শিক্ষক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বি.এড. প্রোগ্রামের ড্রিল অনুষ্ঠিত হয়। তখন বি.এড. পরীক্ষার্থীগণ বিদ্যালয়ের শ্রেণীকক্ষে ক্লাসচলাকালীন সময়ে পাঠদান করে ব্যবহারিক পরীক্ষা দিয়ে থাকেন; এসময় বিদ্যালয়ের রুটিনবদ্ধ শিক্ষক ক্লাস থেকে অব্যাহতি নিয়ে তা উক্ত পরীক্ষার্থীর অধীনে রেখে যান।

এছাড়া বিদ্যালয় অডিটরিয়ামটি মতিঝিল সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ও তাদের বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনে ব্যবহার করে থাকে। বিদ্যালয়ের ভিতরের দিকে বালিকা বিদ্যালয়ের সাথে যোগাযোগের একটি অন্তর্বর্তি যাতায়াত পথ রয়েছে, যা প্রয়োজন ছাড়া তালাবদ্ধ থাকে। এছাড়াও বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে, বিশেষ করে দির্ঘস্থায়ী বন্যার সময় বিদ্যালয়ের কক্ষগুলোতে সরকারিভাবে দুর্গত মানুষদের আশ্রয় দেয়া হয় এবং বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীরা তাদের দেখভাল করেন। এছাড়াও স্থানীয় বিভিন্ন প্রয়োজনেও (জানাযার নামায আদায় ইত্যাদি) স্থানীয় লোকজন এবং প্রশাসন বিদ্যালয়ের বড় মাঠটি ব্যবহার করে থাকেন।

 

এক নজরে খুটিনাটিঃ

প্রতিষ্ঠানের ধরন

সরকারি উচ্চবিদ্যালয় (ছেলেদের জন্য)

প্রতিষ্ঠাকাল

১৯৫৭ সাল

প্রতিষ্ঠাতা

হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী (পূর্ব পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের প্রধানমন্ত্রী

প্রধান শিক্ষক

রফিক কাদের রিভা (২০০৭ –বর্তমান)

অফিস স্টাফ সংখ্যা

প্রায় ৫০ জন

পাঠদান

১ম থেকে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত

ছাত্র সংখ্যা

প্রায় ৩,০০০ জন

ক্যাম্পাস আকৃতি

৭.২ একর

পাঠদান মাধ্যম

বাংলা

 

 

আপডেটের তারিখঃ ২৪ এপ্রিল, ২০১৩

 
আরো পড়ুন
 

নামসংক্ষিপ্ত বিবরণ
নওয়াব হাবিবুল্লাহ মডেল স্কুল এন্ড কলেজউত্তরা, সেক্টর ৪
অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলধানমন্ডি, ধানমন্ডি
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল স্কুলধানমন্ডি, ধানমন্ডি
ইস্কাটন গার্ডেন উচ্চ বিদ্যালয় রমনা, রমনা
ডন গ্রামার স্কুলগুলশান, গুলশান ২
মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ঢাকা, মতিঝিল
ঢাকা কলেজিয়েট স্কুলকোতোয়ালী, সদরঘাট
হলিক্রস উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়তেজগাঁও, ফার্মগেট
মল্লিক প্রিপেরেটরি স্কুলজিগাতলা, জিগাতলা
সিয়াম আইডিয়াল স্কুলহাজারীবাগ, হাজারীবাগ
আরও ১৬৭ টি লেখা দেখতে ক্লিক করুন
২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি