পূর্ববর্তী লেখা    পরবর্তী লেখা
পুরো লিস্ট দেখুন

এমআইএসটি

 

২০১৪ সালের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির বিস্তারিত তথ্য জানতে

২০১৩-২০১৪ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি

 

মিরপুর সেনানিবাসে অবস্থিত মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি সংক্ষেপে এমআইএসটি নামে পরিচিত। ১৯৯৮ সালে কেবল সামরিক বাহিনীর শিক্ষার্থীদের নিয়ে এর শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হলেও ২০০২-২০০৩ শিক্ষাবর্ষ থেকে এখানে সামরিক এবং বেসামরিক দু’ধরনের শিক্ষার্থীই পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছে। ২০০৮-২০০৯ শিক্ষাবর্ষে প্রথমবারের মত বিদেশী শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয় এখানে। কেবল সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ নিয়ে এমআইএসটির যাত্রা শুরু হলেও বর্তমানে ছয়টি বিভাগের মাধ্যমে পাঁচ ধরনের ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সের সুযোগ আছে। সামরিক বাহিনীর বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস এখানকার সকল শিক্ষা কার্যক্রম তদারক করে এবং সার্টিফিকেট দেয়।

 

 

সূচী:

 

যোগাযোগ:

শুরুতে

ঠিকানা: মিরপুর সেনানিবাস, ঢাকা।

ওয়েবসাইট: www.mist.ac.bd

কয়েকটি প্রয়োজনীয় ফোন নম্বর:

  • একাডেমিক ডিরেক্টর (ডীন): ৮০৩৫১৭৮
  • প্রশাসনিক পরিচালক: ৯০১৩১৬৬
  • কর্ণেল স্টাফ: ৯০১১৪০৪
  • পরিচালক আর এন্ড ডি: ৯০১১৩৬২
  • জিএসও-১ (একাডেমিক): ৮০৩৫৪২১
  • জিএসও-২ (একাডেমিক): ৯০১০০৪৯ বর্ধিত: ৪১৫
  • ডিএএ এন্ড কিউএমজি: ৯০১০০৪৯ বর্ধিত: ২৬৮
  • ভর্তি কর্মকর্তা: ৮০৩৫৪১৯

ফ্যাক্স: ৮৮-০২৯০১১৩১১

 

এখানকার কোর্সগুলো:

শুরুতে

  • বি.এসসি. ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স
    • সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং
    • কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং
    • ইলেকট্রিক্যাল ইলেকট্রনিক এন্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং
    • মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং
    • এ্যরোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং
  • পোস্ট গ্রাজুয়েট এবং মাস্টার্স প্রোগ্রাম
  • সার্ভেয়িং এবং ম্যাপিং এর ওপর ডিপ্লোমা কোর্স
  • উচ্চতর প্রফেশনাল কোর্স

 

বিভাগগুলো

শুরুতে

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ:

শুরুতে

১৯৯৯ সালে সামরিক বাহিনীর ৪০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে এমআইএসটির প্রথম কোর্স হিসেবে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স চালু করা হয়। দক্ষ প্রকৌশলী তৈরি ছাড়াও দেশের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডে পরামর্শকের কাজ করছে এমআইএসটির এ বিভাগটি। এছাড়া নির্মাণ সামগ্রী এবং নির্মাণ কাজের মান নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ল্যাবরেটরী সহযোগিতা পাওয়া যায়।

 

কম্পিউটার সায়েন্স এবং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ:

শুরুতে

২০০০-২০০১ শিক্ষাবর্ষ থেকে বিভাগটির শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথম বছর কেবল সামরিক বাহিনীর শিক্ষার্থী ভর্তি করা হলেও পরের বছর থেকেই বেসামরিক শিক্ষার্থীদেরও সুযোগ দেয়া হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ২৬৬ জন গ্রাজুয়েট বের হয়েছে এখান থেকে, যারা দেশে বিদেশে উচ্চ শিক্ষাগ্রহণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যোগ্যতার সাক্ষর রাখছেন। বিভিন্ন সময়ে আয়োজিত প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট প্রতিযোগিতাসহ নানা প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় এখানকার শিক্ষার্থীরা।

 

ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ:

শুরুতে

২০০৩ সালে ৪৫ জন শিক্ষার্থী নিয়ে বিভাগটির যাত্রা শুরু হয়, এ পর্যন্ত আটটি ব্যাচ ভর্তি হয়েছে এখানে। পাওয়ার এন্ড এনার্জি, ইলেকট্রনিকস এবং যোগাযোগ প্রযুক্তি এই তিন বিষয়ের ওপর জোর দেয়া হয় স্নাতক কোর্সে। পাওয়ার সিস্টেম থেকে শুরু করে ভিএলএসআই প্রভৃতি বিষয়ের ওপর অভিজ্ঞ শিক্ষক আছেন এখানে।

 

মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ:

শুরুতে

সাধারণত শক্তির রুপান্তর, স্থানান্তর, ব্যবহার, যন্ত্রপাতিতে এর প্রয়োগ, নকশা তৈরি এসবই মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর আলোচ্য বিষয়। ২০০৩ সালে ৪৫ জন শিক্ষার্থী নিয়ে বিভাগটির যাত্রা শুরু হয়। বিভাগটি মানসম্পন্ন শিক্ষা দিয়ে ২০১০ সালে আইইবি এর বিএইটিই এর  ‘Good Grade’ স্বীকৃতি পায়।

 

এ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ:

শুরুতে

এমআইএসটির আগে বাংলাদেশের অন্য কোথাও এ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ানো হত না। এই শূন্যতা দূর করতে ২০০৯ সালে এখানে এ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স চালু করা হয়। সামরিক এবং জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টা বিবেচনায় নিয়ে এ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়। এখানে পোস্ট গ্রাজুয়েরট কোর্সের সুযোগ এখন পর্যন্ত নেই। তবে অদূর ভবিষ্যতে চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। মূলত দু’টি বিভাগ আছে এখানে, এ্যারোস্পেস (Aerospace)এবং এভিওনিকস (Avionics)।

 

বিজ্ঞান এবং মানবিক বিভাগ:

শুরুতে

বিভাগটি আলাদা কোন কোর্স পরিচালনা করে না। অন্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের সহায়ক শিক্ষা দেয় বিভাগটি। গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন বিজ্ঞান, ইংরেজী, অর্থনীতি, সমাজবিজ্ঞান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, হিসাব বিজ্ঞান এবং ব্যবসা আইন বিষয়ে শিক্ষা দেবার কাজটি করে বিজ্ঞান এবং মানবিক বিভাগ।

 

শিক্ষকমন্ডলী:

শুরুতে

সামরিক বাহিনী ছাড়াও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ এখানে ক্লাস নেন। এছাড়া অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রতিষ্ঠান থেকে অতিথি বক্তা হিসেবে বিশিষ্ট শিক্ষকমন্ডলী আসেন এখানকার সেমিনারগুলোতে।

 

আসন সংখ্যা কোটা

শুরুতে

এখানকার চারবছর মেয়াদী আন্ডারগ্রাজুয়েট কোর্সগুলোতে পাঁচটি বিভাগের প্রতিটির আসন সংখ্যা হচ্ছে ৬৫। মোট আসন সংখ্যা ৩২৫, অর্ধেক আসন সামরিক বাহিনীর শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষণ করা হয়। তবে কোন বছর সামরিক বাহিনীর শিক্ষার্থী সংখ্যা কম হলে বেসামরিক শিক্ষার্থী দ্বারা সেটি পূরণ করা হয়। এছাড়া সামরিক বাহিনীর সদস্যদের সন্তান, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান, উপজাতি এবং বিদেশী ছাত্রের জন্য কোটা রয়েছে।

 

ভর্তি

শুরুতে

ভর্তির যোগ্যতা:

শুরুতে

বাংলাদেশী ছাত্রের জন্য:

  • ছেলে-মেয়ে উভয়ই আবেদন করতে পারে।
  • সাধারণ শিক্ষাবোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড বা কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে বিজ্ঞান বিভাগে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে পাশ করা শিক্ষার্থীরা ভর্তির আবেদন করতে পারে। মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক উভয় পরীক্ষায় পাঁচ স্কেলে ন্যূনতম জিপিএ ৪ থাকতে হবে ভর্তির আবেদন করার জন্য। 
  • উচ্চমাধ্যমিক পর্যা্য়ে গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন এবং ইংরেজী এই চারটি বিষয়ের যেকোন দু’টিতে অন্তত এ গ্রেড থাকতে হবে আর বাকি দু’টিতে অন্তত এ মাইনাস থাকতে হবে।
  • জিসিই, ও লেভেল বা সমমানের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে: গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন বিজ্ঞান এবং ইংরেজীসহ অন্তত পাঁচটি বিষয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে এবং গড়ে অন্তত বি গ্রেড থাকতে হবে।
  • জিসিই এ লেভেল গণিত, পদার্থবিজ্ঞান এবং রসায়ন বিজ্ঞান তিনটি বিষয়ে আলাদাভাবে বি গ্রেড থাকতে হবে।
  • একবছর আগে এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষাপাশ করে থাকলেও আবেদন করা যায়।

 

আবেদন প্রক্রিয়া:

শুরুতে

কেবলমাত্র অনলাইনে ভর্তির আবেদন করতে হয়। এমআইএসটির ওয়েবসাইটে গিয়ে নির্ধারিত আবেদন ফর্মের মাধ্যমে শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন তথ্য দিতে হয়। ছবি এবং সাক্ষরও স্ক্যান করে দিতে হয়। এরপরে টেলিটক প্রি-পেইড ফোনের মাধ্যমে পরীক্ষা ফি হিসেবে ৬০০ টাকা দিতে হয়। পুরো প্রক্রিয়াটি শেষ হলে ওয়েবসাইট থেকেই ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড করে নিতে হয়। অবেদেন ফরম পূরণের পুরো নির্দেশনা ওয়েবসাইটে দেয়া হয়।

 

ভর্তি পরীক্ষা:

শুরুতে

এইচএসসি সমমানের পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে পদার্থবিজ্ঞান, রসায়নবিজ্ঞান এবং গণিতে প্রাপ্ত জিপিএ এবং ইংরেজীতে প্রাপ্ত জিপিএ-এর এক তৃতীয়াংশ বিবেচনায় নিয়ে একটি মেধা তালিকা করা হয়। মোটামুটিভাবে প্রতি আসনের বিপরীতে ১০ জন প্রার্থীকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া হয়। তবে সংরক্ষিত আসন এবং এ লেভেল শিক্ষার্থীদের সবাইকেই ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেবার সুযোগ দেয়া হয়। এমআইএসটি নোটিশ বোর্ড এবং ওয়েবসাইটে ভর্তি পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত প্রার্থী তালিকা দেয়া হয়। এছাড়া শিক্ষার্থীদের মোবাইলে ফোনেও মেসেজ আকারে জানিয়ে দেয়া হয়।

 

ভর্তি পরীক্ষার সিলেবাস:

শুরুতে

  • গণিত, পদার্থবিজ্ঞান এবং রসায়ন বিজ্ঞানে এইচএসসি পরীক্ষার সিলেবাস থেকে প্রশ্ন করা হয়।
  • ইংরেজীর জন্য: প্রধানত কম্প্রিহেনশন এবং ফা্ংশনাল ইংলিশ।

 

নম্বর বন্টন:

শুরুতে

  • তিন ঘন্টায় মোট ২০০ নম্বরের পরীক্ষা নেয়া হয়। গণিতে ৮০, পদার্থবিজ্ঞানে ৬০, রসায়নে ৪০ এবং ইংরেজীর জন্য ২০ নম্বর বরাদ্দ থাকে।
  • পরীক্ষার পাশ নম্বর হচ্ছে ৪০, তবে আসন পূর্ণ করার জন্য এ শর্ত শিথিল করা হতে পারে।

 

চূড়ান্ত মেধা তালিকা তৈরি:

শুরুতে

ভর্তি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ৭৫%, এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার জন্য ১০% এবং এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষার জন্য ১৫%, এভাবে চূড়ান্ত মেধাতালিকা তৈরি করা হয়। নোটিশ বোর্ড এবং ওয়েবসাইটে চূড়ান্ত মেধা তালিকা দেয়া হয়। আবার মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমেও এটি জানিয়ে দেয়া হয়।

 

থাকার ব্যবস্থা

শুরুতে

এমআইএসটি মূলত একটি আবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। স্থায়ী শিক্ষকবৃন্দের পরিবার নিয়ে থাকার জন্য দু’টি ১৪ তলা ভবন আছে এখানে। আর শিক্ষার্থীদের থাকার জন্য রয়েছে ওসমানী হল। এখানে ২৬০ ছাত্র এবং ২৬০ জন ছাত্রীসহ মোট ৫২০ জনের থাকার ব্যবস্থা আছে। প্রতিটি কক্ষেই ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা আছে।

 

অন্যান্য তথ্য :

শুরুতে

  • পাঠাগার: ৪০,০০০ বইয়ের বিশাল সংগ্রহ ছাড়াও দেশী-বিদেশী সাময়িকী, জার্নাল, ম্যাগাজিন এবং ই-জার্নাল রাখা হয় এখানে। এমআইএসটির প্রতিটি বিভাগের জন্য আলাদা আলাদা লাইব্রেরীও আছে।
  • চিকিৎসা:  এমআইএসটি-র আলাদা মেডিকেল সেন্টার আছে যেখান থেকে ওষুধসহ অন্যান্য সুবিধা দেয়া হয়।
  • ফিটনেস সেন্টার: শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা ফিটনেস সেন্টার আছে।
  • সাইবার ক্যাফে: শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য একটি সাইবার ক্যাফে আছে।
  • খেলাধূলা: টেবিল টেনিস, ব্যাডমিন্টন, ফুটবল এবং ক্রিকেটসহ বিভিন্ন ইনডোর এবং আউটডোর গেমসের সুযোগ পায় এখানকার শিক্ষার্থীরা।
  • বিতর্ক প্রতিযোগিতা: এমআইএসটির একটি ডিবেটিং সোসাইটি আছে যার তত্ত্বাবধানে নিয়মিতভাবে বিতর্ক প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়।
  • ক্যাফেটেরিয়া: এখানে শিক্ষাথীদের জন্য স্বল্পমূল্যে বিভিন্ন ধরনের খাবারের ব্যবস্থা আছে।
  • সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড: একঘেয়েমী দূর করতে এখানে নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। 

 

পরীক্ষা পদ্ধতি:

শুরুতে

ক্লাসে উপস্থিতি, শ্রেণী পরীক্ষা, উপস্থিতি, হোমওয়ার্কসহ বিভিন্ন কর্মকান্ডে অংশ নেয়া ইত্যাদির ওপর ৩০% নম্বর বরাদ্দ থাক। বাকি ৭০% নম্বর বরাদ্দ থাকে মূল পরীক্ষায়। অভ্যন্তরীণ এবং বাইরের পরীক্ষক এসব পরীক্ষার খাতা দেখেন।

 

গ্রেড পদ্ধতি

শুরুতে

গ্রেড

গ্রেড পয়েন্ট

নম্বরের সীমা

A+

4.00

80% বা এর বেশি

A

3.75

75% বা এর কম

A-

3.50

70% থেকে 75% এর কম

B+

3.25

65% থেকে 70% এর কম

B

3.00

60% থেকে 65% এর কম

B-

2.75

55% থেকে 60% এর কম

C+

2.50

50% থেকে 55% এর কম

C

2.25

45% থেকে 50% এর কম

D

2.00

40% থেকে 45% এর কম

F*

0.00

40% এর কম

I

অসম্পূর্ণ

--

W

প্রত্যাহারকৃত (Withdrawn)

--

X

--

Project/Thesis continuation

 

পড়াশোনার খরচ:

শুরুতে

খরচের খাত

টাকার পরিমাণ

ভর্তি প্রক্রিয়াকরণ ফি

৬০০ টাকা

ভর্তি ফি (এককালীন)

১০, ০০০ টাকা

পুন: ভর্তি ফি

৫,০০০ টাকা

টিউশন ফি (মাসিক)

৩০০ টাকা

জামানত (একবার এবং ফেরতযোগ্য)

২০,০০০ টাকা

লাইব্রেরী ফি (এককালীন)

৪,০০০ টাকা

রেজিষ্ট্রেশন ফি (এককালীন)

৪৫০ টাকা

পরীক্ষা ফি (প্রতি টার্মে)

৩,০০০ টাকা

কেন্দ্র ফি (প্রতি টার্মে)

৫০০ টাকা

গ্রেড শীট ফি (প্রতি টার্মে)

৩৭৫ টাকা

কোর্স রেজিষ্ট্রেশন ফি (প্রতি ক্রেডিট আওয়ার)

১০০ টাকা

মেডিকেল ফি (মাসিক)

৩০০ টাকা

ক্রিড়া (মাসিক)

১০০ টাকা

ছাত্র কল্যাণ (মাসিক)

৩৫০ টাকা

ল্যাব এবং শিক্ষা উপকরণ ফি (মাসিক)

২০০ টাকা

শিক্ষা উন্নয়ন ফি (অবসরপ্রাপ্ত সামরিক এবং বেসামরিক কর্মকর্তাদের সন্তানদের ক্ষেত্রে)

১২,৫০০ টাকা

শিক্ষা উন্নয়ন ফি (অন্যদের জন্য)

২৫,০০০ টাকা

 

হল চার্জ (বেসামরিক শিক্ষার্থীদের জন্য):

শুরুতে

নিরাপত্তা জামানত (এককালীন এবং ফেরতযোগ্য)

৫,০০০ টাকা

অগ্রীম (এককালীন এবং ফেরতযোগ্য)

৩,০০০ টাকা

ভর্তি ফি

১,০০০ টাকা

পুন: ভর্তি ফি

৫০০ টাকা

পরিচয়পত্র ফি

১০০ টাকা

স্থাপনা ফি (মাসিক)

১০০০ টাকা

সিট ভাড়া (মাসিক)

৩০০ টাকা

বিদ্যুৎ, গ্যাস এবং পানির বিল বাবদ (মাসিক)

২৫০ টাকা

রক্ষণাবেক্ষণ এবং পরিচ্ছন্নতা (মাসিক)

২৫০ টাকা

কমনরুম ফি (মাসিক)

১০০ টাকা

শুরুতে

 
আরো পড়ুন
 

নামসংক্ষিপ্ত বিবরণ
কদমতলা পূর্ব বাসাবো স্কুল এন্ড কলেজখিলগাঁও, বাসাবো
বাদশা ফয়সাল ইন্সটিটিউট (স্কুল ও কলেজ)মোহাম্মদপুর, শ্যামলী
বাংলাদেশ নৌবাহিনী কলেজকাফরুল, সেকশন ১৪
লালমাটিয়া মহিলা কলেজমোহাম্মদপুর, লালমাটিয়া
নটরডেম কলেজমতিঝিল, মতিঝিল
রাজউক উত্তরা মডেল স্কুল এন্ড কলেজউত্তরা, সেক্টর ০৬
আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ, মতিঝিলমতিঝিল, মতিঝিল
ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজমোহাম্মদপুর, মোহাম্মদপুর
ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজরমনা, বেইলী রোড
হলিক্রস কলেজতেজগাঁও, তেজতুরী বাজার
আরও ৫৮ টি লেখা দেখতে ক্লিক করুন
২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি